নাকবা দিবস স্মরণে মার্কিন কংগ্রেসে একটি গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মার্কিন রাজনীতিক ও কংগ্রেস সদস্য রাশিদা তালিব। তিনি বলেছেন, নাকবা ১৯৪৮ সালেই শেষ হয়ে যায়নি, বরং তা এখনও চলছে। তার মতে, বর্তমান সময়েও ফিলিস্তিনিরা বাস্তুচ্যুতি ও সহিংসতার মুখে পড়ছে।
মার্কিন পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের সদস্য রাশিদা তালিব স্থানীয় সময় গত বৃহস্পতিবার ‘চলমান নাকবা’ স্বীকৃতি দিয়ে একটি প্রস্তাব (রেজল্যুশন) আবারও কংগ্রেসে উত্থাপন করেছেন।
ইসরাইলের স্বাধীনতা দিবসের বার্ষিকীতে উত্থাপিত এই প্রস্তাবে ইসরাইলের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের ওপর ‘জাতিগত নিধন’, ‘বর্ণবাদী শাসন’ এবং ‘গণহত্যা’ চালানোর অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে কংগ্রেসের অনেক ইসরাইলপন্থী আইনপ্রণেতা ও বিভিন্ন সংগঠন এসব অভিযোগকে ‘উসকানিমূলক ও ভুল’ অভিহিত করে প্রত্যাখ্যান করেছে।
এই প্রস্তাবে ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য কাজ করা জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ-র প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পুনরায় চালুর আহ্বানও জানানো হয়েছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরাইলে হামাসের হামলায় সংস্থাটির কিছু কর্মীর সম্পৃক্ততা বা সমর্থনের অভিযোগ ওঠার পর এটি ইসরাইল ও কয়েকটি পশ্চিমা দেশের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে।
রাশিদা তালিব বলেন, গাজায় চলমান সংঘাতে ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করা হচ্ছে এবং তাদের ভূমি থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তার কথায়, ‘আমরা যখন নাকবার ৭৮তম বার্ষিকী পালন করছি, তখন আমরা সেইসব মানুষকে স্মরণ করছি যারা ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর চলা এই বাস্তুচ্যুতি ও সহিংসতার কারণে প্রাণ হারিয়েছেন।’
তিনি জোরালো কণ্ঠে বলেন, স্থায়ী শান্তি তখনই সম্ভব, যখন ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে এবং ফিলিস্তিনিদের নিজ ভূমিতে ফেরার অধিকার স্বীকৃত হবে।
নাকবা বলতে ১৯৪৮ সালে ইসরাইল প্রতিষ্ঠার সময় প্রায় ৭,৫০,০০০ ফিলিস্তিনিকে তাদের ঘরবাড়ি থেকে বিতাড়িত হওয়ার ঘটনাকে বোঝানো হয়। প্রতিবছর ১৫ মে বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালিত হয়।
গত শুক্রবার (১৫ মে) ঐতিহাসিক নাকবা দিবস পালন করেছে ফিলিস্তিনিরা। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকেরা মনে করেন, ফিলিস্তিনিদের জন্য নাকবা আসলে ইতিহাসের একটি দিন নয়, বরং এটি এখনও চলমান এক মানবিক সংকট।
নাকবা আরবি শব্দ, যার অর্থ ‘বিপর্যয়’। নাকবা সংঘটিত হওয়ার প্রায় আট দশক পরও লাখ লাখ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুতি, দখল ও সহিংসতার শিকার হয়ে চলেছে। গাজায় ইসরাইলি সামরিক অভিযান ও পশ্চিম তীরে দখলদার বসতি স্থাপনকারীদের হামলা সেই সংকটকে আরও গভীর করেছে।
এবারের নাকবা দিবস শুধু ফিলিস্তিনিরাই নয়, জাতিসংঘও দিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্মরণ করছে। দিবসটি উপলক্ষে এক বিবৃতিতে সংস্থাটি ফিলিস্তিনিদের ‘দীর্ঘস্থায়ী দুর্ভোগের’ কথা উল্লেখ করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি প্রমাণ করে, নাকবা অতীতের কোনো একক ঘটনা নয়; বরং ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর চলমান দখল ও উচ্ছেদের ধারাবাহিক প্রক্রিয়া।
মার্কিন পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের সদস্য রাশিদা তালিব স্থানীয় সময় গত বৃহস্পতিবার ‘চলমান নাকবা’ স্বীকৃতি দিয়ে একটি প্রস্তাব (রেজল্যুশন) আবারও কংগ্রেসে উত্থাপন করেছেন।
ইসরাইলের স্বাধীনতা দিবসের বার্ষিকীতে উত্থাপিত এই প্রস্তাবে ইসরাইলের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের ওপর ‘জাতিগত নিধন’, ‘বর্ণবাদী শাসন’ এবং ‘গণহত্যা’ চালানোর অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে কংগ্রেসের অনেক ইসরাইলপন্থী আইনপ্রণেতা ও বিভিন্ন সংগঠন এসব অভিযোগকে ‘উসকানিমূলক ও ভুল’ অভিহিত করে প্রত্যাখ্যান করেছে।
এই প্রস্তাবে ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য কাজ করা জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ-র প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পুনরায় চালুর আহ্বানও জানানো হয়েছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরাইলে হামাসের হামলায় সংস্থাটির কিছু কর্মীর সম্পৃক্ততা বা সমর্থনের অভিযোগ ওঠার পর এটি ইসরাইল ও কয়েকটি পশ্চিমা দেশের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে।
রাশিদা তালিব বলেন, গাজায় চলমান সংঘাতে ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করা হচ্ছে এবং তাদের ভূমি থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তার কথায়, ‘আমরা যখন নাকবার ৭৮তম বার্ষিকী পালন করছি, তখন আমরা সেইসব মানুষকে স্মরণ করছি যারা ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর চলা এই বাস্তুচ্যুতি ও সহিংসতার কারণে প্রাণ হারিয়েছেন।’
তিনি জোরালো কণ্ঠে বলেন, স্থায়ী শান্তি তখনই সম্ভব, যখন ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে এবং ফিলিস্তিনিদের নিজ ভূমিতে ফেরার অধিকার স্বীকৃত হবে।
নাকবা বলতে ১৯৪৮ সালে ইসরাইল প্রতিষ্ঠার সময় প্রায় ৭,৫০,০০০ ফিলিস্তিনিকে তাদের ঘরবাড়ি থেকে বিতাড়িত হওয়ার ঘটনাকে বোঝানো হয়। প্রতিবছর ১৫ মে বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালিত হয়।
গত শুক্রবার (১৫ মে) ঐতিহাসিক নাকবা দিবস পালন করেছে ফিলিস্তিনিরা। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকেরা মনে করেন, ফিলিস্তিনিদের জন্য নাকবা আসলে ইতিহাসের একটি দিন নয়, বরং এটি এখনও চলমান এক মানবিক সংকট।
নাকবা আরবি শব্দ, যার অর্থ ‘বিপর্যয়’। নাকবা সংঘটিত হওয়ার প্রায় আট দশক পরও লাখ লাখ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুতি, দখল ও সহিংসতার শিকার হয়ে চলেছে। গাজায় ইসরাইলি সামরিক অভিযান ও পশ্চিম তীরে দখলদার বসতি স্থাপনকারীদের হামলা সেই সংকটকে আরও গভীর করেছে।
এবারের নাকবা দিবস শুধু ফিলিস্তিনিরাই নয়, জাতিসংঘও দিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্মরণ করছে। দিবসটি উপলক্ষে এক বিবৃতিতে সংস্থাটি ফিলিস্তিনিদের ‘দীর্ঘস্থায়ী দুর্ভোগের’ কথা উল্লেখ করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি প্রমাণ করে, নাকবা অতীতের কোনো একক ঘটনা নয়; বরং ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর চলমান দখল ও উচ্ছেদের ধারাবাহিক প্রক্রিয়া।
আন্তজার্তিক ডেস্ক